মার্চেই মিলবে বকেয়া DA-র প্রথম কিস্তি, নবান্নে জোর প্রস্তুতি
ডিএ ইস্যুতে বড় আপডেট—মার্চেই প্রথম কিস্তি দেওয়ার পথে রাজ্য সরকার
![]() |
| ডিএ ইস্যুতে বড় আপডেট—মার্চেই প্রথম কিস্তি দেওয়ার পথে রাজ্য সরকার |
উত্তর: রাজ্য সরকার চলতি মার্চ মাস থেকেই বকেয়া ডিএ দেওয়া শুরু করতে চায় এবং ৩১ মার্চের মধ্যে প্রথম কিস্তি দেওয়ার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
কেন হঠাৎ ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে এবং মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
কোন সময়ের বকেয়া ডিএ প্রথমে মেটানো হবে?
উত্তর: ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জমে থাকা বকেয়া ডিএ প্রথম ধাপে মেটানো হবে।
পুরো বকেয়া একসঙ্গে দেওয়া হবে কি?
উত্তর: না, প্রথমে মোট বকেয়ার অর্ধেক মার্চে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্ধেক সেপ্টেম্বর (পুজোর আগে) দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
কত টাকা পাওয়া যেতে পারে?
উত্তর: এটি কর্মীর বেসিক বেতনের উপর নির্ভর করে। যেমন—
- ৭,০০০ টাকা বেসিক হলে প্রায় ১.৪৯ লক্ষ টাকা বকেয়া, তার অর্ধেক মার্চে
- ১০,০০০ টাকা বেসিক হলে প্রায় ৪.৫৭ লক্ষ টাকা
- ১৫,০০০ টাকা বেসিক হলে প্রায় ৬.৮৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে
ডিএ কীভাবে হিসাব করা হচ্ছে?
উত্তর: কর্মীর বেসিক বেতন এবং কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র পার্থক্য ধরে দীর্ঘ সময়ের হিসাব কষে বকেয়া নির্ধারণ করা হচ্ছে।
টাকা কীভাবে দেওয়া হবে?
উত্তর: ট্রেজারি ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।
কোন সিস্টেমের মাধ্যমে এই হিসাব করা হচ্ছে?
উত্তর: ইন্টিগ্রেটেড ফিনান্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (IFMS)-এর মাধ্যমে সমস্ত হিসাব করা হচ্ছে।
কেন ২০১৬ সাল থেকে হিসাব শুরু হচ্ছে?
উত্তর: ২০১৬ সাল থেকে IFMS-এ তথ্য ডিজিটালি সংরক্ষিত থাকায় সেই সময়ের হিসাব করা সহজ ও নির্ভুল।
বাকি বকেয়া কবে দেওয়া হবে?
উত্তর: বাকি বকেয়া ধাপে ধাপে পরবর্তীতে মেটানো হবে, যার বিস্তারিত পরে জানানো হবে।









